আলমগীর হোসেনের বাড়ী কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের নাউতি গ্রামে। তিনি চাঁদপুর জেলায় হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। জানা যায়, সেখানে তিনি করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষা করালে তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে তিনি কুষ্টিয়ায় ফিরে আসেন এবং গত ২১ জুন পুনরায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে তার নমুনা পরীক্ষা করান। কুষ্টিয়াতেও তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে গত ২২ জুন জ্বর, ঠান্ডা, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে আলমগীর হোসেন কুষ্টিয়া ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ভিজিটর ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (FWVTI) আইসোলেশনে ভর্তি হন। আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৬ জুন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। ঢাকাতে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ জুন ভোরে আলমগীর হোসেন মারা যান বলে তার পরিবারসূত্রে জানা যায়। ঐদিনই আলমগীর হোসেনের মরদেহ ঢাকা হতে তার নিজ গ্রামে আনা হয় এবং বিকাল ৪ টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাশ দাফন করা হয়।
এনিয়ে কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ১১ জনের মৃত্যু হলো। ১১ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরে ০৬ জন, কুমারখালীতে ০৩ জন, দৌলতপুরে ০১ জন ও ভেড়ামারায় ০১ জন।
এছাড়া, গত ০১/০৭/২০২০ তারিখ করোনা উপসর্গ নিয়ে সিরাজুল ইসলাম (৬০) নামে এক ব্যক্তি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। সিরাজুল ইসলামের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরস্থ চৌড়হাস এলাকায়। মৃত্যুর আগে করোনা সন্দেহে সিরাজুল ইসলামের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তবে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল এখনও পাওয়া যায়নি।

إرسال تعليق