জানা যায়, মরহুম মোকাদ্দেস আলী কয়েকদিন ধরে জ্বর, ঠান্ডা, কাশিসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন এবং গতকাল (০৯ জুন) মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। মোকাদ্দেস হোসেনের মৃত্যুর কারন বার্ধক্যজনিত বলে তার পরিবার দাবি করলেও কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দাফনের আগে করোনা পরীক্ষার জন্য মৃতদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। অতঃপর বুধবার (১০ জুন) কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পি.সি.আর ল্যাবে মৃত মোকাদ্দেস হোসেনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা (কোভিড-১৯) পজিটিভ শনাক্ত হয়। তবে করোনা উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও লাশ দাফনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি বলে জানা যায়।
এই প্রথম কুষ্টিয়ায় অবস্থানকালীন কোভিড-১৯ শনাক্ত কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলো। এর আগে কুষ্টিয়ায় করোনা সন্দেহে ০৪ জন ব্যক্তি মারা গেলেও তাদের কারও শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়নি। তবে গত ০১ এপ্রিল ঢাকাতে অবস্থানকালীন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্য হয় কুষ্টিয়ার কুমারখালির চাঁদপুর গ্রামের আবু দাউদ (৬৫) নামে এক ব্যক্তির। এছাড়া গত মাসে ঢাকাতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দৌলতপুরের আব্দুল কুদ্দুস (৬৭) ও শুভতারা বেগম (৭৮) নামে আরও ০২ জনের মৃত্য হয়। তাদের প্রত্যেকের মৃতদেহ কুষ্টিয়ায় নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

إرسال تعليق